
– নিজে গোসল করা – স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ। আপনার সন্তানকে নিয়মিত কিভাবে গোসল করতে হয় এবং কখন করতে হয়, তা শেখান যাতে এটি একটি অভ্যাসে পরিণত হয়।
– গোসলের পর তোয়ালে ব্যবহার ও ঝুলিয়ে রাখা – অবশ্যই গোসলের অংশ হলো তোয়ালে দিয়ে নিজেকে শুকানো এবং তা সুন্দরভাবে ঝুলিয়ে রাখা।
– জ্যাকেট/প্যান্টের বোতাম লাগানো বা খোলা – বিশেষত যখন আপনার সন্তান স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাকে শেখান কিভাবে জ্যাকেটের বোতাম খুলে তা খুলতে হয় এবং প্যান্টের বোতাম খুলে প্রয়োজনীয় কাজ করতে হয়।
– নিজে পোশাক পরা – স্বাধীনতার পথে, আপনার সন্তানকে নিজেই পোশাক পরা শিখতে হবে।
– জুতা বাঁধা – স্নিকার্স বা রাবারের জুতা প্রায়ই খুলে যায়, আর আপনি সবসময় পাশে থাকবেন না বাঁধার জন্য। আপনার সন্তানকে শেখাতে হবে কিভাবে সে নিজে জুতা বাঁধতে পারে।
– নিজের পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা – আপনার সন্তানকে শিখান পরিস্কার রাখার গুণাবলী, এবং জিনিসগুলো যেন ঠিক অবস্থায় রেখে দেয়। সম্ভব হলে, তাকে শিখান নির্দেশ ছাড়াই জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখার জন্য যাতে পরিবেশ পরিষ্কার থাকে।
– ঘর পরিস্কার করা – বেসিক স্কিলগুলো হলো ঝাড়ু দেওয়া, মপিং করা, মেঝে ধোয়া এবং স্পঞ্জ দিয়ে নিচু দেয়াল ধোয়া।
– নিজের বিছানা তৈরি করা – নিজের বিছানা গোছানো শিখিয়ে দিন, যাতে ঘুম থেকে উঠে এটি একটি নিয়মে পরিণত হয়।
– রান্নাঘরে সাহায্য এবং বেসিক রান্নার দক্ষতা – প্রাপ্তবয়স্ক জীবনে খুবই উপকারী এই দক্ষতা। সহজ কাজ যেমন মেশানো, নাড়া, ঝাঁকানো, ডিম ফাটানো এবং স্যান্ডউইচ তৈরি করা দিয়ে শুরু করতে পারেন।
– খাবারের টেবিল সাজানো – শুধুমাত্র নিজের জন্য নয়, পুরো পরিবারের জন্য কাজ করতে শিখুক আপনার সন্তান।
– খাবার সরিয়ে রাখা – টেবিল সাজানোর বিপরীত দিক হলো টেবিল পরিস্কার করা।
– কম্পিউটার বা স্ক্রিন ব্যবহার করা – এটি অন্তর্ভুক্ত থাকে কম্পিউটার বা টাচ স্ক্রিন দিয়ে শিক্ষামূলক গেম খেলা। কম্পিউটার বা ট্যাব ব্যবহার করে প্রযুক্তি থেকে শিখার দারুণ সুযোগ পাবেন আপনার সন্তান। তবে অবশ্যই স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণ করুন এবং মাঝামাঝি খেলার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
– আপনার ফোন নম্বর এবং ঠিকানা মুখস্থ করা – জরুরী অবস্থায় আপনার ঠিকানা এবং ফোন নম্বর মনে রাখতে হবে আপনার সন্তানের। তবে, তাকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে বলুন যেন যেকোনো লোককে এ তথ্য না দেয়।
– ফোন ব্যবহারের কৌশল শেখা – আপনার সন্তানকে শেখান কিভাবে ফোনে ডায়াল করতে হয় এবং ফোনে অন্য লোকের সাথে কথা বলতে হয়, শুধু জরুরী অবস্থাতেই নয়।
– অপরিচিত ব্যক্তির প্রতি সাবধান থাকা, নিজের ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখা – এটি আপনার সন্তানকে বাস্তব এবং ভার্চুয়াল উভয় জগতেই অপরাধের শিকার হওয়া থেকে রক্ষা করবে।
– সক্রিয় খেলা, খেলাধুলা, ব্যায়াম – শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য আপনার সন্তানকে ব্যায়ামের গুরুত্ব শেখান।